ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া Logo ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন Logo ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই Logo বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে বাংলাদেশ নৌবাহিনী Logo সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আধুনিক প্রশিক্ষণে জোর দেওয়ার আহ্বান Logo বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগ সচল রাখতে সেনাবাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টা Logo ঢাকার আশুলিয়ায় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক কমিটি গঠন Logo ধামরাইয়ে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত Logo কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, দিন-রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত Logo জামায়েতের পাথালিয়া ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মানবিক সহায়তা

রপ্তানি আয়ে ভাটা ৪ মাস পর

বৈশ্বিক মন্দা, দেশে জ্বালানির ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেও ইতিবাচক ধারায় ছিল রপ্তানি আয়। চার মাস ধরে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি থাকলেও সদ্যসমাপ্ত মার্চে নেতিবাচক ধারায় ফিরেছে রপ্তানি।

মার্চে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে উদ্যোক্তারা আয় করেছেন ৪৬৪ কোটি ৩৯ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ শতাংশ ও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কম।

রোববার (২ এপ্রিল) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইপিবি জানায়, চলতি বছর মার্চে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০২ কোটি ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরের মার্চে রপ্তানি হয়েছে ৪৭৬ কোটি ২২ লাখ ডলার।

মার্চে নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও অর্থবছরের ৯ মাস (জুলাই থেকে মার্চ) মোট রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরের তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই থেকে মার্চ) রপ্তানি আয়ে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে। মার্চ শেষে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৭২ কোটি ১৬ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ হাজার ৮৬০ কোটি ৫৬ লাখ ডলার

মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে তৈরি পোশাকের অংশই বেশি। মার্চে মোট ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। তবে এ মাসে পোশাক রপ্তানিও আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে এক দশমিক ০৪ শতাংশ পিছিয়ে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলারের বেশি। একই সময়ে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

এসময় চামড়াজাত পণ্যে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ, পাদুকায় ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, পরচুলায় ২৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

অন্যদিকে এ ৯ মাসে কৃষিপণ্যে ২৮ দশমিক ৩১, হিমায়িত মাছে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ, পাটজাত পণ্যে ২১ দশমিক ২৩ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য

গ্রিন টিভি বাংলা

গ্রিন টিভি বাংলার একটি সম্পূর্ন অনলাইন ফেজবুক,ইউটিউব, নিউজপোর্টাল ভিক্তিক টিভি চ্যানেল । যে কোন বিষয় মতামত দিয়ে আমাদেকে সহযোগিতা করুন এবং নিউজ পড়ুন বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন

আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

রপ্তানি আয়ে ভাটা ৪ মাস পর

আপডেট সময় ১১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ এপ্রিল ২০২৩

বৈশ্বিক মন্দা, দেশে জ্বালানির ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেও ইতিবাচক ধারায় ছিল রপ্তানি আয়। চার মাস ধরে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি থাকলেও সদ্যসমাপ্ত মার্চে নেতিবাচক ধারায় ফিরেছে রপ্তানি।

মার্চে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে উদ্যোক্তারা আয় করেছেন ৪৬৪ কোটি ৩৯ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ শতাংশ ও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কম।

রোববার (২ এপ্রিল) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইপিবি জানায়, চলতি বছর মার্চে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০২ কোটি ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরের মার্চে রপ্তানি হয়েছে ৪৭৬ কোটি ২২ লাখ ডলার।

মার্চে নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও অর্থবছরের ৯ মাস (জুলাই থেকে মার্চ) মোট রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরের তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই থেকে মার্চ) রপ্তানি আয়ে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে। মার্চ শেষে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৭২ কোটি ১৬ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ হাজার ৮৬০ কোটি ৫৬ লাখ ডলার

মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে তৈরি পোশাকের অংশই বেশি। মার্চে মোট ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। তবে এ মাসে পোশাক রপ্তানিও আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে এক দশমিক ০৪ শতাংশ পিছিয়ে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলারের বেশি। একই সময়ে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

এসময় চামড়াজাত পণ্যে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ, পাদুকায় ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, পরচুলায় ২৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

অন্যদিকে এ ৯ মাসে কৃষিপণ্যে ২৮ দশমিক ৩১, হিমায়িত মাছে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ, পাটজাত পণ্যে ২১ দশমিক ২৩ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।