ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ধামরাইয়ে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত Logo কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, দিন-রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত Logo জামায়েতের পাথালিয়া ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মানবিক সহায়তা Logo আগামী ২৫-১০-২০২৫ ইং রোজ-শনিবার ধামরাই উপজেলার কালামপূর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক কল্যান সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ জিন্নত আলী,সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন। Logo মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক আমদানি ২৬.৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে Logo ‘তিন-শূন্য বিশ্ব’ গঠনই বিশ্ব বাঁচানোর একমাত্র পথ : রোমে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা Logo কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশ-সৌদি আরব চুক্তি স্বাক্ষর Logo অনলাইনে এক ক্লিকে জামিননামা পৌঁছে যাবে জেলখানায় : আইন উপদেষ্টা Logo দুইবার ‘বাবা’ বলে নিথর হয়ে যায় ৬ বছরের জাবির ইব্রাহিম Logo ধামরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রশিদ তুষার সাধারণ সম্পাদক আহাদ বাবু

রপ্তানি আয়ে ভাটা ৪ মাস পর

বৈশ্বিক মন্দা, দেশে জ্বালানির ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেও ইতিবাচক ধারায় ছিল রপ্তানি আয়। চার মাস ধরে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি থাকলেও সদ্যসমাপ্ত মার্চে নেতিবাচক ধারায় ফিরেছে রপ্তানি।

মার্চে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে উদ্যোক্তারা আয় করেছেন ৪৬৪ কোটি ৩৯ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ শতাংশ ও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কম।

রোববার (২ এপ্রিল) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইপিবি জানায়, চলতি বছর মার্চে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০২ কোটি ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরের মার্চে রপ্তানি হয়েছে ৪৭৬ কোটি ২২ লাখ ডলার।

মার্চে নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও অর্থবছরের ৯ মাস (জুলাই থেকে মার্চ) মোট রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরের তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই থেকে মার্চ) রপ্তানি আয়ে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে। মার্চ শেষে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৭২ কোটি ১৬ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ হাজার ৮৬০ কোটি ৫৬ লাখ ডলার

মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে তৈরি পোশাকের অংশই বেশি। মার্চে মোট ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। তবে এ মাসে পোশাক রপ্তানিও আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে এক দশমিক ০৪ শতাংশ পিছিয়ে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলারের বেশি। একই সময়ে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

এসময় চামড়াজাত পণ্যে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ, পাদুকায় ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, পরচুলায় ২৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

অন্যদিকে এ ৯ মাসে কৃষিপণ্যে ২৮ দশমিক ৩১, হিমায়িত মাছে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ, পাটজাত পণ্যে ২১ দশমিক ২৩ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য

গ্রিন টিভি বাংলা

গ্রিন টিভি বাংলার একটি সম্পূর্ন অনলাইন ফেজবুক,ইউটিউব, নিউজপোর্টাল ভিক্তিক টিভি চ্যানেল । যে কোন বিষয় মতামত দিয়ে আমাদেকে সহযোগিতা করুন এবং নিউজ পড়ুন বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন
জনপ্রিয় সংবাদ

ধামরাইয়ে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

রপ্তানি আয়ে ভাটা ৪ মাস পর

আপডেট সময় ১১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ এপ্রিল ২০২৩

বৈশ্বিক মন্দা, দেশে জ্বালানির ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেও ইতিবাচক ধারায় ছিল রপ্তানি আয়। চার মাস ধরে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি থাকলেও সদ্যসমাপ্ত মার্চে নেতিবাচক ধারায় ফিরেছে রপ্তানি।

মার্চে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে উদ্যোক্তারা আয় করেছেন ৪৬৪ কোটি ৩৯ লাখ ডলার। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ শতাংশ ও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কম।

রোববার (২ এপ্রিল) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইপিবি জানায়, চলতি বছর মার্চে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০২ কোটি ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরের মার্চে রপ্তানি হয়েছে ৪৭৬ কোটি ২২ লাখ ডলার।

মার্চে নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও অর্থবছরের ৯ মাস (জুলাই থেকে মার্চ) মোট রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

২০২২-২৩ অর্থবছরের তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই থেকে মার্চ) রপ্তানি আয়ে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রয়েছে। মার্চ শেষে দেশের মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৭২ কোটি ১৬ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ হাজার ৮৬০ কোটি ৫৬ লাখ ডলার

মোট রপ্তানি আয়ের মধ্যে তৈরি পোশাকের অংশই বেশি। মার্চে মোট ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। তবে এ মাসে পোশাক রপ্তানিও আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে এক দশমিক ০৪ শতাংশ পিছিয়ে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলারের বেশি। একই সময়ে এ খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ১৭ শতাংশ।

এসময় চামড়াজাত পণ্যে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ, পাদুকায় ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ, পরচুলায় ২৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

অন্যদিকে এ ৯ মাসে কৃষিপণ্যে ২৮ দশমিক ৩১, হিমায়িত মাছে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ, পাটজাত পণ্যে ২১ দশমিক ২৩ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।