ঢাকা , রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ধামরাইয়ে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত Logo কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, দিন-রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত Logo জামায়েতের পাথালিয়া ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মানবিক সহায়তা Logo আগামী ২৫-১০-২০২৫ ইং রোজ-শনিবার ধামরাই উপজেলার কালামপূর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক কল্যান সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ জিন্নত আলী,সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন। Logo মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক আমদানি ২৬.৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে Logo ‘তিন-শূন্য বিশ্ব’ গঠনই বিশ্ব বাঁচানোর একমাত্র পথ : রোমে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা Logo কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশ-সৌদি আরব চুক্তি স্বাক্ষর Logo অনলাইনে এক ক্লিকে জামিননামা পৌঁছে যাবে জেলখানায় : আইন উপদেষ্টা Logo দুইবার ‘বাবা’ বলে নিথর হয়ে যায় ৬ বছরের জাবির ইব্রাহিম Logo ধামরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রশিদ তুষার সাধারণ সম্পাদক আহাদ বাবু

খাবারের সাথে অতিরিক্ত ইউরিয়া প্রয়োগে সেই ১১ গরুর মৃত্যু

 

মোঃ ফারুক হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকার ধামরাইয়ের এগ্রো ফার্মের মালিক আসাদুজ্জামান খানের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছিল ১১টি গরুর মৃত্যুতে, গরুর মৃত্যুর জন্য মাত্রাতিরিক্ত ইউরিয়া খাওয়ানোর কারণেই হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্তৃপক্ষ। গতকাল রবিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধামরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম জাহান।

গত ২১ আগস্ট ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বালিয়া কাজীপাড়া গ্রামের আসাদ অ্যাগ্রো ফার্মে গরু মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ওইদিন গরুগুলো মারা যাওয়ার প্রকৃত কারণ জানতে গরুগুলোকে খাওয়ানো কাঁচা ঘাস, দানাদার খাবার, গোবর, রক্ত, কলিজা, ফুসফুসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার সেন্ট্রাল ডিজিজ ইনভেস্টিগেশন ল্যাবে (সিডিআইএল) পাঠানো হয়।

পরীক্ষার রিপোর্টে তর্কা ও বাদলা নেগেটিভ আসে। পরীক্ষায় রক্তে, কলিজায়, লিভারে ইউরিয়ার মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে। ফার্মের মালিক আসাদুজ্জামান খান বলেন, গত ২১ আগস্ট আমার ফার্মে ১৬টি হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুকে সকাল ৭টার দিকে ফার্মের কেয়ারটেকার সাদ্দাম হোসেন প্রতিদিনের মতো একই ধরনের খাবার (দানাদার খাবার, ভূষি, কুড়া) দেয়। খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যে তিনটি ষাড়, দুটি বকনা ও ৬টি গর্ভবতী গাভী মারা যায়। এতে আমার প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সেলিম জাহান জানান, সাধারণত গরুকে ২৪ ঘণ্টায় এক কেজি খাবারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ গ্রাম ইউরিয়া খাওয়ানো যায়। তবে কোনোভাবেই গর্ভবতী গাভীকে ইউরিয়া খাওয়ানো যাবে না। মৃত গরুগুলোর খাবার পরীক্ষায় আমরা প্রতিকেজি খাবারে ৪০ থেকে ৪৫ গ্রাম ইউরিয়ার উপস্থিতি পেয়েছি। এ ক্ষেত্রে খামারির সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, গরুগুলোকে ২৪ ঘণ্টায় দুইবার ইউরিয়া খাওয়ানো হয়েছে এবং গর্ভবতী গাভিকেও একই মাত্রায় ইউরিয়া খাওয়ানো হয়েছে। এ কারণেই নিশ্চিত হয়েছি যে, মাত্রাতিরিক্ত ইউরিয়া খাওয়ানোর কারণেই গরুগুলো মারা গেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জনপ্রিয় সংবাদ

ধামরাইয়ে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

খাবারের সাথে অতিরিক্ত ইউরিয়া প্রয়োগে সেই ১১ গরুর মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

 

মোঃ ফারুক হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকার ধামরাইয়ের এগ্রো ফার্মের মালিক আসাদুজ্জামান খানের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছিল ১১টি গরুর মৃত্যুতে, গরুর মৃত্যুর জন্য মাত্রাতিরিক্ত ইউরিয়া খাওয়ানোর কারণেই হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্তৃপক্ষ। গতকাল রবিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধামরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম জাহান।

গত ২১ আগস্ট ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বালিয়া কাজীপাড়া গ্রামের আসাদ অ্যাগ্রো ফার্মে গরু মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ওইদিন গরুগুলো মারা যাওয়ার প্রকৃত কারণ জানতে গরুগুলোকে খাওয়ানো কাঁচা ঘাস, দানাদার খাবার, গোবর, রক্ত, কলিজা, ফুসফুসের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার সেন্ট্রাল ডিজিজ ইনভেস্টিগেশন ল্যাবে (সিডিআইএল) পাঠানো হয়।

পরীক্ষার রিপোর্টে তর্কা ও বাদলা নেগেটিভ আসে। পরীক্ষায় রক্তে, কলিজায়, লিভারে ইউরিয়ার মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে। ফার্মের মালিক আসাদুজ্জামান খান বলেন, গত ২১ আগস্ট আমার ফার্মে ১৬টি হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুকে সকাল ৭টার দিকে ফার্মের কেয়ারটেকার সাদ্দাম হোসেন প্রতিদিনের মতো একই ধরনের খাবার (দানাদার খাবার, ভূষি, কুড়া) দেয়। খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যে তিনটি ষাড়, দুটি বকনা ও ৬টি গর্ভবতী গাভী মারা যায়। এতে আমার প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সেলিম জাহান জানান, সাধারণত গরুকে ২৪ ঘণ্টায় এক কেজি খাবারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ গ্রাম ইউরিয়া খাওয়ানো যায়। তবে কোনোভাবেই গর্ভবতী গাভীকে ইউরিয়া খাওয়ানো যাবে না। মৃত গরুগুলোর খাবার পরীক্ষায় আমরা প্রতিকেজি খাবারে ৪০ থেকে ৪৫ গ্রাম ইউরিয়ার উপস্থিতি পেয়েছি। এ ক্ষেত্রে খামারির সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, গরুগুলোকে ২৪ ঘণ্টায় দুইবার ইউরিয়া খাওয়ানো হয়েছে এবং গর্ভবতী গাভিকেও একই মাত্রায় ইউরিয়া খাওয়ানো হয়েছে। এ কারণেই নিশ্চিত হয়েছি যে, মাত্রাতিরিক্ত ইউরিয়া খাওয়ানোর কারণেই গরুগুলো মারা গেছে।