ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া Logo ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন Logo ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই Logo বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে বাংলাদেশ নৌবাহিনী Logo সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আধুনিক প্রশিক্ষণে জোর দেওয়ার আহ্বান Logo বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগ সচল রাখতে সেনাবাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টা Logo ঢাকার আশুলিয়ায় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক কমিটি গঠন Logo ধামরাইয়ে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত Logo কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, দিন-রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত Logo জামায়েতের পাথালিয়া ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মানবিক সহায়তা

১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন

গতরাতে ফাবিয়ান রুইজ ও মিকেল মেরিনোর গোলে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে স্পেন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল স্প্যানিশরা। ২০১০ সালে প্রথম ও শেষবার বিশ্বকাপের সেমিতে উঠেছিল স্পেন। ঐ আসরেই প্রথমবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল তারা।

২০০৬ সালে শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের কাছে হারের পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা নয়টি ম্যাচে অপরাজিত আছে স্পেন। ৭টি জয়ের সাথে ২টিতে ড্র করে তারা। ড্র হওয়া দু’টি ম্যাচে টাইব্রেকারে হারে স্প্যানিশরা। টাইব্রেকারে নির্ধারিত হওয়া ম্যাচগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ড্র’ হিসেবে ধরা হয়।

ফুটবলের সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৩৬টি ম্যাচ অপরাজিত স্পেন। ২৭টি জয়ের সাথে ৯টিতে ড্রও করেছে তারা। এর আগে ২০০৭-০৯ এবং ২০১৮-২১ পর্যন্ত দু’বার ৩৫ ম্যাচ করে অপরাজিত ছিল দলটি।

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে একাধিক নকআউট ম্যাচে জয়সূচক গোল করার রেকর্ড গড়লেন মিকেল মেরিনো। এছাড়াও গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথম খেলোয়াড় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ৮৭ মিনিটের পর দু’বার জয়সূচক গোল করেছেন তিনি।

বিশ্বকাপে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে একাধিক গোল করা স্প্যানিশ পুরুষ খেলোয়াড়দের তালিকায় আলভারো মোরাতা ও ফার্নান্দো মোরিয়েন্তেসের পাশে নাম লেখালেন মেরিনো।

এদিকে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে স্পেনের বিপক্ষে টানা ১২টি ম্যাচে জয়হীন বেলজিয়াম। এরমধ্যে শেষ ছয় ম্যাচ হেরেছে তারা।

বিশ্বের দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল ও পাও কুবার্সিকে খেলিয়েছে স্পেন। এর আগে ১৯৫৮ সালে ওয়েলসের বিপক্ষে শেষ আটে অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সে ব্র্রাজিলের হয়ে খেলেছিলেন পেলে ও আলতাফিনি।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজের ষষ্ঠ ম্যাচ খেললেন ইয়ামাল। ১৮ বছর বা তার কম বয়সী কোনো খেলোয়াড়ের জন্য বিশ্বকাপে এটিই সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড।

বিশ্বকাপের ৬৪৯ মিনিট গোল হজম না করার বিশ্ব রেকর্ডের মালিক স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন। ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের পর বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোল করলো স্পেন।

এর আগে ফিফা বিশ্বকাপে দীর্ঘ সময় গোল হজম করতে না করার রেকর্ডটি ছিল ইতালির গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গার দখলে। টানা ৫১৭ মিনিট কোনো গোল হজম করেননি তিনি।

এবারের আসরের এখন পর্যন্ত ১১ গোল করেছে স্পেন। ১৯৮৬ বিশ্বকাপেও ১১টি গোল করেছিল দলটি। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের যে কোনো আসরে এটাই স্পেনের সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের আসরে ৮ গোল করেছিল স্প্যানিশরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য

গ্রিন টিভি বাংলা

গ্রিন টিভি বাংলার একটি সম্পূর্ন অনলাইন ফেজবুক,ইউটিউব, নিউজপোর্টাল ভিক্তিক টিভি চ্যানেল । যে কোন বিষয় মতামত দিয়ে আমাদেকে সহযোগিতা করুন এবং নিউজ পড়ুন বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন

আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন

আপডেট সময় ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

গতরাতে ফাবিয়ান রুইজ ও মিকেল মেরিনোর গোলে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে স্পেন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল স্প্যানিশরা। ২০১০ সালে প্রথম ও শেষবার বিশ্বকাপের সেমিতে উঠেছিল স্পেন। ঐ আসরেই প্রথমবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল তারা।

২০০৬ সালে শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের কাছে হারের পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা নয়টি ম্যাচে অপরাজিত আছে স্পেন। ৭টি জয়ের সাথে ২টিতে ড্র করে তারা। ড্র হওয়া দু’টি ম্যাচে টাইব্রেকারে হারে স্প্যানিশরা। টাইব্রেকারে নির্ধারিত হওয়া ম্যাচগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ড্র’ হিসেবে ধরা হয়।

ফুটবলের সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৩৬টি ম্যাচ অপরাজিত স্পেন। ২৭টি জয়ের সাথে ৯টিতে ড্রও করেছে তারা। এর আগে ২০০৭-০৯ এবং ২০১৮-২১ পর্যন্ত দু’বার ৩৫ ম্যাচ করে অপরাজিত ছিল দলটি।

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে একাধিক নকআউট ম্যাচে জয়সূচক গোল করার রেকর্ড গড়লেন মিকেল মেরিনো। এছাড়াও গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথম খেলোয়াড় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ৮৭ মিনিটের পর দু’বার জয়সূচক গোল করেছেন তিনি।

বিশ্বকাপে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে একাধিক গোল করা স্প্যানিশ পুরুষ খেলোয়াড়দের তালিকায় আলভারো মোরাতা ও ফার্নান্দো মোরিয়েন্তেসের পাশে নাম লেখালেন মেরিনো।

এদিকে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে স্পেনের বিপক্ষে টানা ১২টি ম্যাচে জয়হীন বেলজিয়াম। এরমধ্যে শেষ ছয় ম্যাচ হেরেছে তারা।

বিশ্বের দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল ও পাও কুবার্সিকে খেলিয়েছে স্পেন। এর আগে ১৯৫৮ সালে ওয়েলসের বিপক্ষে শেষ আটে অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সে ব্র্রাজিলের হয়ে খেলেছিলেন পেলে ও আলতাফিনি।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নিজের ষষ্ঠ ম্যাচ খেললেন ইয়ামাল। ১৮ বছর বা তার কম বয়সী কোনো খেলোয়াড়ের জন্য বিশ্বকাপে এটিই সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড।

বিশ্বকাপের ৬৪৯ মিনিট গোল হজম না করার বিশ্ব রেকর্ডের মালিক স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোন। ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের পর বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোল করলো স্পেন।

এর আগে ফিফা বিশ্বকাপে দীর্ঘ সময় গোল হজম করতে না করার রেকর্ডটি ছিল ইতালির গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গার দখলে। টানা ৫১৭ মিনিট কোনো গোল হজম করেননি তিনি।

এবারের আসরের এখন পর্যন্ত ১১ গোল করেছে স্পেন। ১৯৮৬ বিশ্বকাপেও ১১টি গোল করেছিল দলটি। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের যে কোনো আসরে এটাই স্পেনের সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের আসরে ৮ গোল করেছিল স্প্যানিশরা।